Welcome to Onlinetunes24 .....

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

This is default featured post 1 title

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

This is default featured post 2 title

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

This is default featured post 3 title

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

This is default featured post 4 title

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

Showing posts with label প্রযুক্তির খবর (Technological News). Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তির খবর (Technological News). Show all posts

ওয়ার্ডপ্রেসের ১১ বছর

ওয়েবসাইট বিশেষ করে লেখা-ছবি প্রকাশের জনপ্রিয় প্রোগ্রাম (কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম—সিএমএস) ওয়ার্ডপ্রেসের ১১ বছর পূর্ণ হলো গতকাল মঙ্গলবার৷ ২০০৩ সালের ২৭ মে প্রথম ওয়ার্ডপ্রেসের প্রাথমিক সংস্করণ প্রকাশিত হয়। এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সিএমএসটি প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দিয়ে তৈরি। উন্মুক্ত প্রোগ্রামিং সংকেতের (ওপেন সোর্স) সুবিধা থাকায় এটি বিনা মূল্যে নামিয়ে নিয়ে যে কেউ ব্যবহার করতে পারেন। মূলত এটি দিয়ে কোনো ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা কিংবা জ্ঞান ছাড়াই ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ২০১৩ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত তৈরি হওয়া এক কোটি ওয়েবসাইটের মধ্যে ২২ শতাংশ ওয়েবসাইটই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে তৈরি। বর্তমানে প্রায় ছয় কোটি ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস৷ ম্যাট মুলেনওয়েগ ও মাইক লিটলের হাত ধরে চালু হওয়া ওয়ার্ডপ্রেসের সর্বশেষ সংস্করণ ৩.৯ এখন চলছে। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে প্রয়োজন অনুযায়ী প্লাগ-ইন (দরকারি বাড়তি প্রোগ্রাম) ইনস্টল করে আরও স্বয়ংক্রিয় করে তোলা যায়। এ ছাড়া পাওয়া যায় বিনা মূল্যে অসংখ্য থিম। 

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি হওয়া বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইটের তালিকায় রয়েছেঃ
  • দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, 
  • সিএনএন, ফোর্বস, 
  • রয়টার্স, 
  • মজিলা ফায়ারফক্স, 
  • প্লে স্টেশন, 
  • পিপল ম্যাগাজিন,
  •  ফোর্ড, 
  • ডিগ ব্লগ, 
  • ইয়াহু, 
  • ইবে,
  • সনি, 
  • অলথিংস ডি, 
  • স্যামসাং, 
  • টেকক্রাঞ্চ, 
  • ম্যাশেবল ইত্যাদি। 

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে মিলেছে একাধিক পুরস্কার। ২০০৭, ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে সেরা ওপেন সোর্স সিএমএস পুরস্কার পেয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস।
বিনা মূল্যে ওয়ার্ডপ্রেস নামানো যাবে (www.wordpress.org/download) ঠিকানা থেকে।

এক কম্পিউটারে দুই মনিটর

অনেক কাজ একসঙ্গে করতে গেলে কম্পিউটারের মনিটরে আরও একটু বেশি জায়গা থাকার প্রয়োজনীয়তা বোঝা যায়। কম্পিউটারে বাড়তি আরেকটা মনিটর জুড়ে দিয়ে এই অভাবটা পূরণ করা যায়। তবে ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপ কম্পিউটারের জন্য কাজটা একটু আলাদাভাবে করতে হয়।

ডেস্কটপ কম্পিউটার: বেশির ভাগ আধুনিক গ্রাফিকস কার্ডই দুই বা এর বেশি মনিটর সমর্থন করে। এমনকি মাদারবোর্ডের সঙ্গে থাকা (বিল্ট-ইন) অবস্থায় যে গ্রাফিকস কার্ড থাকে, সেটিও দুটি মনিটর সমর্থন করতে পারে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য কম্পিউটারের পেছনে কয়টি ভিডিও পোর্ট আছে তা দেখতে হবে। প্রয়োজনে মাদারবোর্ড বা গ্রাফিকস কার্ডের নির্দেশিকা (ম্যানুয়াল) দেখে নিতে পারেন।
ল্যাপটপ কম্পিউটার: প্রায় প্রতিটা ল্যাপটপের সঙ্গে আলাদা করে ভিজিএ পোর্ট, এইচডিএমআই বা ডিসপ্লে পোর্ট থাকে। এই পোর্টে মনিটরের তার সংযুক্ত করতে হবে। ল্যাপটপের পর্দা (বিল্ট-ইন) তো সচল থাকবেই, পাশের মনিটরেও দেখা যাবে।

কীভাবে করবেন: উইন্ডোজকে বলে দিতে হবে কোন মনিটর কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। ডেস্কটপের খালি জায়গায় ডান ক্লিক করে Screen resolution নির্বাচন করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে, সেটির ডান পাশে ওপরে Detect-এ ক্লিক করলে নতুন মনিটরটি সংযুক্ত হবে। এবার Multiple displays মেনু থেকে Extend these displays নির্বাচন করতে হবে। 

একটা বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে, কোন মনিটর ডানে আর কোনটি বাঁয়ে সেটি নির্বাচন করা যাবে তা এই উইন্ডোর ওপরের দিকের দুটি মনিটর আইকনের একটিকে মাউস ধরে টেনে (ড্র্যাগ) বাঁয়ে বা ডানে সরিয়ে দিয়ে। আর যে মনিটরে টাস্কবার আর স্টার্ট বাটন রাখতে চান, সেটি নির্বাচন করতে হলে ওপরের এক নম্বর বা দুই নম্বর মনিটরটি ক্লিক করে নিচের Make this my main display-এ টিক দিয়ে ওকে করুন। অপশনটি ঝাপসা থাকলে বুঝতে হবে ইতিমধ্যে সেটি প্রধান মনিটর হিসেবে নির্বাচন করা আছে। এবার খুলে রাখা কোনো ফাইল বা উইন্ডো প্রথম মনিটরটি থেকে মাউস দিয়ে টেনে ধরে ডানে বা বাঁয়ে সরিয়ে দিলে সেটি অপর মনিটরটিতে চলে যাবে।

এক্সপির বাগ

পুরোনো সংস্করণের উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীদের একটি সিকিউরিটি বাগ বা কম্পিউটার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার ত্রুটির বিষয়ে সতর্ক করেছে মাইক্রোসফট।

মাইক্রোসফট জানিয়েছে, কম্পিউটারে এ বাগ থাকায় সাইবার দুর্বৃত্তরা কম্পিউটারে হানা দিয়ে অসত্ উদ্দেশ্যে সাধন করতে সক্ষম। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আজ থেকে প্রায় এক যুগ আগে অর্থাত্ ২০০১ সালে উইন্ডোজ এক্সপি উন্মুক্ত করেছিল বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। জনপ্রিয় এ সফটওয়্যারটিতে বাগ থাকায় সাইবার দুর্বৃত্তরা এখন আক্রমণের জন্য বেছে নিয়েছে এ প্ল্যাটফর্মটিকে। মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্ভার ২০০৩ ও উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের দুর্বলতা সাইবার দুর্বৃত্তদের সুবিধা দিচ্ছে।

মাইক্রোসফট জানিয়েছে, উইন্ডোজ এক্সপির নিরাপত্তা বাগ সাময়িকভাবে দূর করতে এরই মধ্যে একটি আপডেট উন্মুক্ত করেছে তারা। তবে এই আপডেট ইনস্টল করা হলে উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাংশান ঠিকমতো কাজ করতে নাও পারে।

কম্পিউটার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ফায়ারআই উইন্ডোজ এক্সপির এই নিরাপত্তা ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা বিশ্লেষকেদের দাবি, উইন্ডোজ এক্সপিতে বাগ থাকায় অ্যাডোবি রিডারের পুরোনো সংস্করণ ব্যবহার করে সাইবার দুর্বৃত্তরা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে এবং তাদের নিজস্ব কোড কম্পিউটারে ইনস্টল করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা এ সমস্যা সমাধানে অ্যাডোবি রিডারের সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।
 
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, তাঁরা এ সমস্যাটি নিয়ে অবগত আর এই সমস্যা সমাধানে এক্সপি ব্যবহারকারীর জন্য কিছু সার্ভিস বন্ধ করে রাখার বিকল্প নেই।

এদিকে বেশ কিছুদিন ধরেই  উইন্ডোজের পুরোনো সংস্করণ এক্সপি ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে মাইক্রোসফট। উইন্ডোজের সাম্প্রতিক সংস্করণগুলো জনপ্রিয় করতে বেশ কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে রয়েছে এক্সপিকে বিদায় দেওয়া। ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিলের পর উইন্ডোজ এক্সপির জন্য আর কোনো আপডেট বা নিরাপত্তা না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট অফিস ২০০৩-এর অফিশিয়াল সাপোর্টও শেষ হবে একই সময়ে। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, এক্সপির আপডেট বন্ধ করা হলেই কম্পিউটারের ম্যালওয়্যারের আক্রমণ বেড়ে যাবে। তাই আগেভাগেই মাইক্রোসফটের নতুন সংস্করণ আপডেট করার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এক সময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ এক্সপি ২০১৪ সাল নাগাদ বন্ধ হবে আর উইন্ডোজ ৭ বন্ধ হবে ২০২০ সালের ১৪ জুন। ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত উইন্ডোজ ৭-এর  জন্য ফিচার আপডেট করে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে, বর্তমানে বাজারে থাকা উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ আরটি ও উইন্ডোজ ফোন ৮ এ তিনটি প্ল্যাটফর্মকে একীভূত করে নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরির পরিকল্পনা করছে মাইক্রোসফট।

এক হয়ে গেল ওডেস্ক ও ইল্যান্স

অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক ও ইল্যান্স একজোট হল। এই দুটি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করবে এবং নতুন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে যা অনলাইনে বৃহত্তর মার্কেটপ্লেস হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আজ ইল্যান্স এবং ওডেস্ক সংযুক্ত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠনের ঘোষণা দিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই দুটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ১৮০ টি দেশের এক কোটির বেশি ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট অল থিংস ডিজিটাল এ তথ্য জানিয়েছে। বাংলাদেশে ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমানে বিশ্বে ইল্যান্স ও ওডেস্ক  প্রথম  সারির দুটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে পরিচিত। একজোট হয়ে এই দুটি কোম্পানি অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে বর্তমান সুবিধাগুলোর মান উন্নয়নসহ নতুন ধরনের আরও কিছু সেবা আনার বিষয়ে একসাথে কাজ করবে। এতে ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো কাজের ক্ষেত্রে আরও সুবিধা পাবেন।  অবশ্য কোম্পানি দুটি এক হয়ে নতুন কোম্পানি গঠন করলেও আপাতত ইল্যান্স ডটকম ও ওডেস্ক ডটকম আলাদা প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই কাজ চালিয়ে যাবে। 

ইল্যান্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে নতুন প্রতিষ্ঠানটি উন্নত ফিচার যুক্ত করবে।  একটি একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের এক কোটি ফ্রিল্যান্সারের প্ল্যাটফর্ম হবে এটি। নতুন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পাচ্ছেন বর্তমানে ইল্যান্সের প্রধান নির্বাহী ফাবিও রোসাটি এবং বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন ওডেস্কের বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান থমাস লেয়টন। ওডেস্কের বর্তমান সিইও গ্যারি সোয়ারট কৌশলগত উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন কোম্পানির নাম সংযুক্তি বিষয়ক সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর ঘোষণা করা হবে।

ইল্যান্স ডট কমের সিইও ফাবিও রোসাটি জানিয়েছেন, ‘আমরা এমন দুটি প্ল্যাটফর্মকে এক করতে যাচ্ছি, যারা কাজের মাধ্যমে বিশ্বকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে বিশ্বাসী এবং সবসময়ই আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যেতে চায়। ইল্যান্স ও ওডেস্কের একজোট হওয়া মানে বিশ্বে অনলাইনে কাজ খোঁজা ফ্রিল্যান্সারদের ও কাজ দাতা বায়ারদের নানা সুবিধা হবে।

এ প্রসঙ্গে ওডেস্ক সিইও গ্যারি সোয়ারট জানিয়েছেন, ‘এই সংযুক্তি অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে প্রায় ২.৭ বিলিয়ন মানুষ অনলাইনে যুক্ত আছে, যাঁরা মুক্তভাবে একটি পেশা বেছে নেয়ার জন্য এবং নানা জায়গা থেকে একসঙ্গে হওয়ার জন্য ক্ষুধার্ত হয়ে আছে। ৪২২ বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক কাজের বাজার এখন নতুনভাবে তৈরি হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি গতিতে এগিয়ে যাওয়া অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত গতিতে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে ইল্যান্সের সাথে যুক্ত হতে পেরে ওডেস্ক কর্তৃপক্ষও রোমাঞ্চিত।’

ইল্যান্স পরিচিতি
ইল্যান্স হচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে মানুষ বিভিন্নভাবে কাজ করতে পারে। ইল্যান্স ফ্রিল্যান্স কাজের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস।  ইল্যান্স বর্তমানে ১৭০টি দেশের ৮ লাখ বায়ার এবং ৩০ লাখ ফ্রিল্যান্সারদের ব্যবহার করে থাকেন।  প্রতি বছর ১৩ লাখেরও বেশী কাজ ইল্যান্সে পোস্ট হয়।

ওডেস্ক পরিচিতি
অনলাইন কাজের ওডেস্ক জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফর্ম। ওডেস্কে প্রায় ১০ লাখ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও প্রায় ৫০ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। ২০১৩ সালে তথ্য অনুযায়ী, সবমিলিয়ে ১০০ কোটি ডলারের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে ওডেস্ক প্ল্যাটফর্ম থেকে। 

বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট
অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে ওডেস্ক ও ইল্যান্স বাংলাদেশে জনপ্রিয় দুটি মার্কেটপ্লেস। ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার জানিয়েছেন, এই দুটি প্ল্যাটফর্মে আড়াই লাখের বেশি দেশি ফ্রিল্যান্সার কাজ করেন। ইল্যান্স ও ওডেস্কের সংযুক্তির ফলে নতুন যে ফিচার আসবে তা দক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অপূর্ব সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

মেইলে ক্লিক করলে সর্বনাশ

কিছু কিছু মেইল পড়ার জন্য ক্লিক করলে তা সর্বনাশের কারণ হতে পারে বলেই সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রযুক্তি-গবেষকেরা। তাঁদের মতে, ইমেইলের বিষয়বস্তু অনেক সময় বড় ধরনের স্ক্যাম বা ফিশিং প্রচারণায় বড় ভূমিকা পালন করে। সাইবার দুর্বৃত্তরা মেইল ব্যবহারকারীদের বোকা বানানোর জন্য মেইলের বিষয়বস্তু নিয়ে নানারকম চাতুরী করে। এ ধরনের মেইলে ক্ষতিকর লিংক বা ভাইরাসযুক্ত ফাইল ডাউনলোডের লিংকও জুড়ে দিতে পারে দুর্বৃত্তরা।

লিংকডইনের আমন্ত্রণ
ইমেইলের বিষয়বস্তু হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে মেইলের ইনবক্সে এসে জমতে দেখা যায় লিংকডইনের আমন্ত্রণ। ওয়েবসেন্স রিসার্চ নামে একটি প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকেদের মতে, ইমেইলের বিষয়বস্তু দেখেই অধিকাংশ সময় প্রতারণামূলক মেইল সম্পর্কে ধারণা করা সম্ভব। ইমেইলে আসা লিংকডইনের আমন্ত্রণপত্র অধিকাংশ ক্ষেত্রে সঠিক হতে পারে তবে কিছু কিছু মেইল আপনাকে ম্যালওয়্যারপূর্ণ ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে পরিচিত কারও লিংকডইন আমন্ত্রণ না হলে সরাসরি স্প্যাম হিসেবে নির্বাচিত করে দিতে পারেন। সরাসরি লিংকডইন প্রোফাইলে গিয়ে প্রোফাইল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমন্ত্রণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

যে মেইল পৌঁছায় না
যেসব মেইল পাঠানোর পর নির্দিষ্ট মেইল ঠিকানায় পৌঁছায় না ‘মেইল ডেলিভারি ফেইল’ হিসেবে ফেরত আসে সে মেইলগুলো বিপদজনক হতে পারে। অনেক সময় সাইবার দুর্বৃত্তরা ‘মেইল ডেলিভারি ফেইল’ বিষয়বস্তু নির্বাচন করে ম্যালওয়্যারের লিংক পাঠায়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী আগ্রহ নিয়ে কোন মেইল ফেরত এসেছে তা দেখতে ক্লিক করেন। মেইলে এ ধরনের বিষয়বস্তু থাকলে তা ক্লিক করার আগে অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।

গ্রাহক সেবার মেইল
অনেক সময় মেইলের বিষয়বস্তু হিসেবে লেখা হয় ‘ডিয়ার কাস্টমার’ বা প্রিয় গ্রাহক। এই বিষয়বস্তুটি বর্তমানে সাইবার দুর্বৃত্তরা বেশি ব্যবহার করছে। চাতুরী করে এ বিভিন্ন বিষয়ে লোভ দেখিয়ে এ ধরনের মেইল ব্যবহারকারীদের পাঠানো হয়। এসব মেইলে বিভিন্ন ম্যালওয়্যার সরবরাহকারী সাইটের লিংক থাকে। এসব লিংকে ক্লিক করা হলে এমন একটি সাইটে ব্যবহারকারী চলে যেতে পারেন যা অবিকল আসল কোনো সাইটের মতো। কিন্তু এসব সাইটগুলো আসলে প্রতারণা করে তথ্য ও অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মেইল
অনেক সময় মেইলের বিষয়বস্তু হিসেবে লেখা থাকে ‘কমিউনিকেশন ইম্পোর্ট্যান্ট’ বা গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ। এ ধরনের বিষয়বস্তু সংক্রান্ত মেইলগুলো বিপদজনক। এ লিংকে ক্লিক করলে ব্যবহারকারী ভাইরাসপূর্ণ ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারেন। এসব ওয়েবসাইট থেকে কিছু ডাউনলোড করলে কম্পিউটারের ক্ষতি হতে পারে। কমিউনিকেশন ইম্পোর্ট্যান্ট বিষয়বস্তুর মেইল দেখলে তা ক্লিক না করার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।

লটারি জেতার মেইল
বিশাল অঙ্কের লটারি জিতেছেন জানিয়ে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে যদি আপনার ইনবক্সে মেইল আসে, আশান্বিত না হয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, নিরাপত্তার জন্য এ মেইলগুলো এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। যদিও এসব অজানা প্ররোচনামূলক মেইলের অধিকাংশই ফিল্টার হয়ে চলে যায় স্প্যামবক্সে, তবু সিস্টেমকে ধোঁকা দিয়ে কিছু মেইল আপনার ইনবক্সে চলে আসতে পারে। অনলাইনে লটারি জিতেছেন বলে আপনার কাছে পাঠানো এসব অজানা মেইলে বিশ্বাস না করার পরামর্শই দিয়েছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইনে লটারি জেতার মেইল হতে পারে ডিজিটাল প্রতারণার পাতা ফাঁদ।

কী করবেন?
বড় কোম্পানিতে মোটা বেতনে চাকরির সুযোগ, পুলিশের বড় কর্মকর্তার ব্যক্তিগত যোগাযোগের বার্তা, উকিল নোটিশ, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বিশেষ অফার, সম্পত্তির ভাগ, দরিদ্রকে সাহায্য, অনলাইনে ঘণ্টায় প্রচুর আয় এরকম নানা ছুতোয় আপনার ইনবক্সে জমা হওয়া ই-মেইল সর্বনাশের কারণ হতে পারে। কম্পিউটার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সিমানটেকের গবেষকেরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সাইবার-অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে এখন নানা সুবিধার কথা জানিয়ে, নানা কৌশলে ই-মেইল করছে। এশিয়া অঞ্চলে ই-মেইল স্ক্যাম বাড়ছে বলেই গবেষকেরা জানিয়েছেন।

১. আপনার ইনবক্সে ক্ষতিকারক এ ধরনের মেইল এলে তা নির্বাচন করে স্প্যাম বলে চিহ্নিত করুন।
২. অনলাইনে অপ্রয়োজনে মেইল অ্যাকাউন্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, আপনার সামাজিক যোগাযোগে সতর্ক হন।
৩. ই-মেইল পড়ে অর্থ উপার্জন, ই-মেইল ব্যবহার করে অনলাইন জরিপ, ক্লিক করে আয়, বিজ্ঞাপন দেখে আয়, এ বিষয়গুলোর মেইলে সতর্ক থাকুন।

কম্পিউটারের কমনসেন্স!

কমনসেন্স বা সাধারণ বুদ্ধি সম্পন্ন কম্পিউটার তৈরি সংক্রান্ত গবেষণা চলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ছবি বিশ্লেষণ করে কমনসেন্স রপ্ত করার এ গবেষণা প্রক্রিয়ায় কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামকে ব্যবহার করা হচ্ছে। মানুষ যেভাবে সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করে সেভাবে কম্পিউটার প্রোগ্রাম সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করতে সক্ষম হবে কিনা তা নিয়েই এ গবেষণা।

বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, গবেষকেদের তৈরি কম্পিউটার প্রোগ্রামটির নাম ‘নেভার এন্ডিং ইমেজ লার্নার’ বা নেইল। এ প্রোগ্রামটির জন্য অর্থায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর এবং গুগল।

নেইল প্রোগ্রামের মাধ্যমে চলতি বছরের জুন মাস থেকে ৩০ লাখ ছবি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ লাখ ছবি বিশ্লেষণ করে তার মধ্যে এক হাজার ৫০০ ছবিতে নির্দিষ্ট বস্তু শনাক্ত করার পাশাপাশি ১০ লাখ ছবির মধ্যে এক হাজার ২০০ ছবিতে নির্দিষ্ট দৃশ্য খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছে এ প্রোগ্রামটি। এখন পর্যন্ত নেইল প্রোগ্রাম যা শিখেছে তার মধ্যে রয়েছে-এয়ার বাস ৩৩০-এর সঙ্গে অ্যারোপ্লেনের মিল রয়েছে, অ্যান্টিলোপ ও হরিণের মিল রয়েছে, চাকা গাড়ির অংশ প্রভৃতি।

নেইল প্রোগ্রামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা আশা করছেন, এ প্রোগ্রামটিকে আলাদা করে কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। অর্থাত্ কোনো রকম প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিভিন্ন বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারবে কম্পিউটার।

গবেষকেরা বলেন, কম্পিউটার ভিশন প্রযুক্তি বা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার মডেলের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বস্তু কম্পিউটার শনাক্ত করতে সক্ষম। তবে বস্তু শনাক্তকরণে নেইল প্রোগ্রামটি তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হবে। 
 
কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিকস ইনস্টিটিউটের গবেষক অভিনব গুপ্তা জানিয়েছেন, বাস্তব জগতের কিছু সাধারণ জ্ঞান শেখার ক্ষেত্রে ছবি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে। মানুষ যেমন ছবি দেখে সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করে তেমনি নেইল প্রোগ্রামও তা করতে সক্ষম হবে। তবে কম্পিউটার শেখার ক্ষেত্রে যে ভুল করবে তা শোধরানোর জন্য মানুষের নির্দেশনা প্রয়োজন পড়বে।

২০ লাখ পাসওয়ার্ড চুরি

ফেসবুক, গুগল, ইয়াহু, টুইটারের মতো সাইট থেকে প্রায় ২০ লাখ পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিয়েছে সাইবার দুর্বৃত্তরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ফার্ম ট্রাস্টওয়েভের গবেষকেরা দাবি করেছেন, সম্প্রতি তাঁরা নেদারল্যান্ডে একটি সার্ভার পরীক্ষা চালানোর সময় সাইবার দুর্বৃত্তদের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক আবিষ্কার করেছেন। এই নেটওয়ার্কে ‘পনি’ নামের বটনেট ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টের তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

ফার্ম ট্রাস্টওয়েভের গবেষকদের দাবি, দুর্বৃত্তরা ফেসবুক থেকে তিন লাখ ২৬ হাজার, ৬০ হাজার গুগল অ্যাকাউন্ট, ৫৯ হাজার ইয়াহু অ্যাকাউন্ট, ২২ হাজার টুইটার অ্যাকাউন্টের আইডি ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ থেকে এই অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

ফার্ম ট্রাস্টওয়েভের গবেষকেরা নেদারল্যান্ডের পনি বটনেটের সার্ভার বন্ধ করে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে আবেদন করেছেন। এ দিকে, ফেসবুক ও টুইটার কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীদের দ্রুত ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হালনাগাদ করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

ইন্টারনেটে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। ১২৩৪৫, পাসওয়ার্ড, অ্যাডমিন প্রভৃতি অক্ষর পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করার পরিবর্তে সংখ্যা, অক্ষর ও চিহ্ন মিলিয়ে জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

চ্যাম্পিয়ন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং আয়োজন এসিএম আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রতিযোগিতা (আইসিপিসি) ২০১৩-এর ঢাকা অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আত্মপ্রত্যয়ী দল। প্রতিযোগিতার মোট ১১টি প্রোগ্রামিং সমস্যার মধ্যে সাতটি সমাধান করে দলটি শীর্ষস্থান অর্জন করে।

গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় আইসিপিসি ঢাকা অঞ্চলের আয়োজক নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) শুরু হয় মূল প্রতিযোগিতা। ৫৮ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০টি দল এতে অংশ নেয়। প্রতিটি দলে তিনজন করে প্রোগ্রামার এবং একজন করে কোচ ছিলেন।

রাতে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতায় রানারআপ হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ম্যাক্স +৭। এ দলটিও সাতটি সমস্যার সমাধান করেছে, তবে সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এনএসইউর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রাগীব আলী বিজয়ীদের হাতে স্মারক ও সনদ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক আবুল এল হক বলেন, ‘এসিএম আইসিপিসি হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি জায়গা, যেখানে এশিয়া অঞ্চলসহ সারা বিশ্বের সেরা তরুণ প্রোগ্রামারের সমাগম ঘটে।’ এ প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক ছিলেন শাহরিয়ার মঞ্জুর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনএসইউর স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেসের ডিন মিফতাহুর রহমান, থেরাপ সার্ভিসেস সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক সাজ্জাদ রফিক এবং আইবল নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাজাদ খান।

রোবটের আত্মহত্যা

একঘেয়ে কাজ করতে করতে বিরক্তি পেয়ে বসেছিল একটি রোবটকে। অনেকেই দাবি করেছেন, একঘেয়েমি পেয়ে বসায় আত্মহত্যা করে বসেছে ঘর মোছার কাজে ব্যবহূত একটি রোবট। এটি নিছক গল্প নয়, এক খবরে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, অস্ট্রিয়াতে রান্নাঘরের হটপ্লেটে নিজেকে জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্বে কোনো রোবটের প্রথম আত্মহত্যার ঘটনাও হতে পারে। প্রতিদিন নিয়ম মেনে কাজ করা এ রোবটের হঠাত্ এমন অস্বাভাবিক আচরণ রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অগ্নিনির্বাপক দলের সদস্য হেলমুট কাইওয়াসার জানান, যেকোনো কায়দায় রোবটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে এবং রান্নার পাত্রের মধ্যে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছে। পরে রোবটটি গলে গিয়ে এতে আগুন ধরে যায়। অগ্নিনির্বাপক দল আসার আগেই এটি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। এ ঘটনায় কোনো মানুষের ক্ষতি হয়নি। তবে ধোঁয়ায় যাতে কারও ক্ষতি না হয়, সে জন্য মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

রোবটের মালিক দাবি করেছেন, তিনি সর্বশেষ যখন দেখেছিলেন, তখন এটি চালু ছিল না। এটি কীভাবে চালু হয়েছে বা কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে, সে সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। এমনকি ‘রোবটের আত্মহত্যা’র বিষয়টি নিয়েও তিনি কিছু জানেন না। আপাতত এ দুর্ঘটনার জন্য রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিদায় উইন্ডোজ এক্সপি!

নতুন সব প্রযুক্তির ভিড়ে একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপি এখন অনেকটাই সেকেলে। ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও এক্সপি বেশ বিপজ্জনক। মাইক্রোসফট সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত উইন্ডোজ ৮-এর তুলনায় উইন্ডোজ এক্সপি-চালিত সিস্টেমে ম্যালওয়্যার আক্রান্তের হার ছিল ৬ গুণ বেশি।

বিশ্বের গড়পড়তা তুলনামূলক সূচকে বাংলাদেশে আক্রান্তের এই হার ছিল অনেক বেশি। বাংলাদেশে তীব্রতার দিক থেকে প্রথমে এগিয়ে আছে বিভিন্ন ট্রোজান হর্স, এরপর আছে ওয়ার্ম এবং ভাইরাস।

অন্যদিকে ২০১৪ সালের এপ্রিলে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে উইন্ডোজ এক্সপি-সংক্রান্ত সব ধরনের নিরাপত্তা হালনাগাদ, হটফিক্স এবং ব্যবহার-সংক্রান্ত সব সেবা। এরপর উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করলে মাইক্রোসফট থেকে আর কোনো ধরনের কারিগরি সহযোগিতা পাওয়া যাবে না। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যখন উইন্ডোজ এক্সপির আগের সংস্করণের (সার্ভিস প্যাক ২) সহযোগিতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরের দুই বছরে এক্সপির সর্বশেষ সংস্করণের (সার্ভিস প্যাক ৩) তুলনায় সেটিতে ম্যালওয়্যার আক্রান্তের হার ৬৬ শতাংশ বেশি। এক্সপি সহযোগিতা পুরোপুরি বন্ধ হলে কী ঘটবে, এ থেকেই অনেকটাই অনুমান করা যায়। হ্যাকার এবং স্প্যামাররা নতুন ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি বের করে প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় হামলা চালায়, কর্তৃপক্ষ সেগুলো চিহ্নিত করে সময়ে সময়ে সিস্টেম হালনাগাদের মাধ্যমে আক্রমণ প্রতিহত করে। কিন্তু যখন এক্সপির আর কোনো ধরনের নিরাপত্তাজনিত হালনাগাদ পাওয়া যাবে না, স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তাব্যবস্থা হয়ে উঠবে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। সব মিলিয়ে প্রায় এক যুগ ধরে জনপ্রিয়তার আসনে বসা এবং সফলতার শীর্ষে থাকা উইন্ডোজ এক্সপিকে শেষ পর্যন্ত বিদায় জানাতেই হচ্ছে।

ঈশ্বর কণায় হকিংস কেনো নাখোশ?

পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংস জানিয়েছেন, ঈশ্বর কণার খোঁজ পাওয়ায় তিনি নাখোশ হয়েছেন। কিন্তু কেনো? সম্প্রতি তার ব্যাখাও দিয়েছেন তিনি।

কবে দেখা মিলবে ঈশ্বর কণার? দীর্ঘদিন ধরেই গবেষকেরা খুঁজে ফিরেছেন এর উত্তর। যতদিন এই প্রশ্নের উত্তর জানা ছিল না ততদিনই পদার্থবিজ্ঞান ছিল আকর্ষণীয়। কিন্তু ২০১২ সালে পদার্থবিজ্ঞানীরা ঘোষণা দিলেন যে, তাঁরা হিগস-বোসন কণা বা ঈশ্বর কণার দেখা পেয়েছেন। এ বছর হিগস-বোসন কণার আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীরা নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন। তবে পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং সম্প্রতি লন্ডনের সায়েন্স মিউজিয়ামে দাবি করেছেন যে, ঈশ্বর কণার আবিষ্কার পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গবেষকেদের আকর্ষণ কমিয়ে দেবে। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্টিফেন হকিং জানিয়েছেন, এ সময়ে পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার হিসেবে হিগস-বোসনকে ব্যাখা দেওয়া হলেও তিনি এ আবিষ্কারে খুশি হতে পারেননি। তাঁর মতে, এই কণা আবিষ্কারের ফলে পদার্থবিজ্ঞানের সব আকর্ষণ ফুরিয়ে যাবে। অবশ্য, তাঁর নাখোশ হওয়ার আরেকটি কারণ হতে পারে বাজিতে হেরে যাওয়া। হকিংস তাঁর বন্ধুর সঙ্গে ১০০ ডলারের বাজি ধরে বলেছিলেন কখনও ঈশ্বর কণার খোঁজ পাওয়া যাবে না। কিন্তু বাজিতে তিনি হেরে যান।

‘হিগস-বোসন’ নিয়ে গবেষণার জন্য এ বছর পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাজ্যের পিটার হিগস ও বেলজিয়ামের ফ্রাঙ্কোইস অ্যাংলার্ট। ষাটের দশকে যুক্তরাজ্যের গবেষক পিটার হিগসসহ বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী পদার্থের ভর সৃষ্টিকারী অতিক্ষুদ্র একটি কণার সম্ভাবনার কথা বলেন, যা হিগস-বোসন কণা হিসেবে পরিচিতি পায়। বোসন কণার সঙ্গে বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন বসুর নাম জড়িয়ে রয়েছে। এটি ‘ঈশ্বর কণা’ নামেও পরিচিতি পেয়েছে। এই কণাটি পদার্থবিজ্ঞানে গবেষকেদের দীর্ঘদিন আকর্ষণ ধরে রেখেছিল। হিগস ও অ্যাংলার্টের তত্ত্ব অনুযায়ী, ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ডের গবেষণাকেন্দ্র সার্নে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডরে হিগস-বোসন কণার অস্তিত্বের সন্ধান পাওয়া যায়। 

সম্প্রতি লন্ডনের সায়েন্স মিউজিয়াম কোলাইডর প্রদর্শনী নামে হিসগ বোসন কণা আবিষ্কারের পেছনের দৃশ্যগুলো নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এখানে অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে পদার্থবিদ্যার আকর্ষণ কমে আসতে পারে এমন আশঙ্কার কথা বললেন ৭১ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানী।

জিমেইলের লগ ইন পেজে পরিবর্তন এল

জিমেইল ব্যবহারকারীরা তাঁদের লগ ইন পেজটি নতুন নকশায় দেখতে পারছেন। নতুন নকশায় লগ ইন করার অংশটিকে পাতার ঠিক মাঝখানে বসানো হয়েছে। আগে এটি একপাশে ছিল।
 
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মতো করে এবার ডেস্কটপের জন্যও এ পরিবর্তন এনেছে গুগল। ২০ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশের জিমেইল ব্যবহারকারীদের কাছে নতুন নকশার জিমেইল লগ ইন পেজটি ব্যবহারকারীদের কাছে উন্মুক্ত হয়েছে।

গুগলের একজন মুখপাত্র প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলকে জানিয়েছেন, জিমেইল ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ফিডব্যাক বা প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পর মেইল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন প্রক্রিয়াটিকে সহজ করতে নতুন নকশা উন্মোচন করা হয়েছে।

আজ গুগল মামার ১৫ তম জন্মদিন!

জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল আজ তাদের ১৫ তম জন্মদিন পালন করছে। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ল্যারি পেজ এবং সার্জে ব্রিন একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করেন যার নাম তখন তারা দিয়েছিলেন “BackRub”। এটি ব্যক্তিগত ওয়েব পেজের জন্য তৈরী হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে তারা নতুন কোম্পানি শুরুর উদ্যেগ নেয়। তখন এর নাম পরিবরর্তন করে নতুন নাম রাখে “Google” এই নামটি এসেছিল googol শব্দ থেকে।

১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর গুগল ইনকরপোরেশন প্রতিষ্ঠার আবেদন করে। এর তিন দিন পর ৭ সেপ্টেম্বর গুগল প্রতিষ্ঠিত হয়। আর গুগল ডটকম ডোমেইনটি নিবন্ধিত হয় একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর। কিন্তু গুগল কর্তৃপক্ষ ২০০৬ সাল থেকে ২৭ সেপ্টেম্বরই গুগলের জন্মদিন পালন করে আসছে। এবার তারা পালন করছে গুগলের ১৫ তম জন্মদিন।

তবে প্রতিষ্ঠার পর শুধু সার্চ ইঞ্জিনেই থেমে থাকেনি গুগল, সার্চের পাশাপাশি জিমেইল, এডসেন্স, গুগল আর্থ সহ আরো বেশ কিছু অনলাইন ভিত্তিক সেবা দিয়ে জয় করে মানুষের মন। আর এভাবেই এখন অনলাইন দুনিয়াকে শাষন করে যাচ্ছে গুগল। গুগলের ১৫ তম জন্মদিনে  শুভেচ্ছা। শুভ জন্মদিন মামা!

গুগল গ্লাস বিপজ্জনক?

‘গুগল গ্লাস’ নামে একটি প্রযুক্তি-চশমা বাজারে আনছে গুগল। সমালোচকেরা আশঙ্কা করছেন, ব্যবহারকারীর মনোযোগ কেড়ে নিয়ে চারপাশের অবস্থা সম্পর্কে মস্তিষ্কে ভুল সংকেত পাঠাতে পারে গুগল গ্লাস।অসাধারণ একটি উদ্ভাবন হলেও ‘ইনঅ্যাটেনশনাল ব্লাইন্ডনেসের’ মতো সাময়িক অমনোযোগিতা তৈরি করতে পারে গুগলের এ প্রযুক্তি-চশমা। ‘নিউইয়র্ক টাইমস’-এ সম্প্রতি গুগল গ্লাসের বিপদ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।আজকাল গুগল গ্লাসের খবর চোখে পড়বে সবখানেই। চোখে পড়বে গুগল গ্লাস নিয়ে লেখা প্রযুক্তি-বিশ্লেষকদের সমালোচনাও। ফ্যাশন অপরাধের সঙ্গে তুলনা করে অনেক প্রযুক্তি-বিশ্লেষক গুগল গ্লাসের সমালোচনা করেছেন, আবার অনেকে করেছেন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের দৃষ্টিকোণ থেকে। সমালোচকেরা জানিয়েছেন, গুগল গ্লাস চোখে পরা কোনো ব্যক্তি কারও সঙ্গে আলাপকালে তার কথা ও ভিডিওচিত্র রেকর্ড করছে কি না, তা বোঝার উপায় থাকবে না। তবে সমালোচনা যা-ই থাক না কেন, স্মার্টফোনের সঙ্গে সম্পর্কিত স্মার্ট গ্লাস বা প্রযুক্তি-চশমার উদ্ভাবন নিশ্চয়ই প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে বৈপ্লবিক উদ্ভাবন। অনেকের মধ্যেই এ চশমা পরে দেখার আগ্রহ রয়েছে। তবে আগ্রহ যতই থাক, গুগল গ্লাসের নেতিবাচক ও ক্ষতিকর দিকটির কথা মনে রাখতেই হবে। এই গুগল গ্লাস শিশুদের চোখের ক্ষতি করতে পারে, আবার মস্তিষ্কের ক্ষমতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ‘টেকনোলজি, এডুকেশন অ্যান্ড ডিজাইন’ বা ‘টেড ২০১৩’ সম্মেলনে গুগল গ্লাসের তথ্য উপস্থাপন করেন সের্গেই ব্রিন। চশমায় প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় স্মার্টফোন ‘অসামাজিক’—এমন মন্তব্য করেছেন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন। তাঁর মতে, পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের এ যুগে স্মার্টফোন সামাজিকতা হারিয়েছে। মানুষের দিকে না তাকিয়ে, তাদের সঙ্গে কথা না বলে স্মার্টফোন ঘাঁটাঘাঁটি করাটা ‘অসামাজিক’। এক সাক্ষাত্কারে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’কে ব্রিন জানিয়েছিলেন, মুঠোফোনের দিকে তাকিয়ে রাস্তায় চলার যুগ শেষ। তিনি জানান, মানুষকে ‘স্মার্ট’ করে তুলতে গুগল আনছে স্মার্ট গ্লাস বা প্রযুক্তি-চশমা। গুগলের এ প্রযুক্তি-চশমার সঙ্গে রয়েছে একটি ছোট ব্যাটারি, যার শক্তিতে চলে চশমার সঙ্গে যুক্ত ক্ষুদ্র একটি কম্পিউটার। চশমার সাহায্যে ছবি তোলা, ভিডিওচিত্র ধারণ, অডিও ধারণ করার জন্য রয়েছে বিশেষ প্রযুক্তি। ইন্টারনেট ব্রাউজ করা ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে এ চশমার সাহায্যে। ব্যবহার করা যাবে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটসহ নানা অ্যাপ্লিকেশন। এতে যুক্ত হবে কণ্ঠস্বর ও চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি। এ চশমার কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে চশমা পরা সাধারণ যাত্রীর বেশে রেল ভ্রমণ করেছেন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরেই বাজারে আসবে গুগলের স্মার্ট গ্লাস। এ চশমার দাম হতে পারে এক হাজার ৫০০ ডলার থেকে তিন হাজার ডলারের মধ্যে।
 
গুগল ছাড়াও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এমন প্রযুক্তি তৈরি করছে, যার মাধ্যমে ফোন ব্যবহারের সময় অন্য কাজ করা যায়। সম্প্রতি শেভ্রোলেট গাড়িতে এমন প্রযুক্তি যুক্ত করেছে, যাতে মুঠোফোনে আসা বার্তা পড়ে শোনাবে গাড়ি।

এদিকে গুগল জানিয়েছে, তাদের তৈরি চশমায় সাধারণভাবে দেখতে সমস্যা হয় এমন বিষয়গুলো থাকবে না। কোনো মেইল বা বার্তা এলে ব্যবহারকারীকে জানানোর জন্য শব্দ করে নোটিফিকেশন জানাবে এ গ্লাস। প্রযুক্তি-বিশ্লেষকেরা জানান, ব্যবহারকারী চালকদের মনোযোগ কাড়বে না এ চশমা। গাড়ি চালানোর সময় মুঠোফোন ব্যবহারে যে সমস্যা তৈরি হয়, তা এ চশমা ব্যবহারে সমাধান হবে।

গবেষকেরা জানান, চোখের দৃষ্টি ও মনের সংযোগে ব্যাঘাত না ঘটলেই কেবল গুগল গ্লাস সফল উদ্ভাবন বলতে হবে। মানুষের মনোযোগ কোথায় ব্যাহত হয় এবং মানুষের মনঃসংযোগের সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো বুঝতে পারলেই নিরাপদ ও বৈপ্লবিক উদ্ভাবন সম্ভব হবে।

কে হচ্ছেন মাইক্রোসফট প্রধান?

প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক বিষয়গুলো ঠিকঠাক সামলে সব সময় সাফল্যের ধারায় রাখবেন, এমন প্রতিষ্ঠানপ্রধান খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। সম্প্রতি বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট পড়েছে সে দুর্ভাবনায়। স্টিভ বলমারের পর কে হচ্ছেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী?

মাইক্রোসফট করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্টিভ বলমার এক বছরের মধ্যে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। মোবাইল পণ্য ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার ব্যর্থতার কারণে বিনিয়োগকারীদের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন বিল গেটসের পর এক দশক ধরে মাইক্রোসফটের দায়িত্বে থাকা স্টিভ বলমার।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রযুক্তি বাজারের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। উইন্ডোজ ৮-এর জনপ্রিয়তায় ধীরগতি, হার্ডওয়্যার বিভাগে মাইক্রোসফটের দূরদর্শিতার অভাব, এ ধরনের সমালোচনায় বিতর্কিত হয়ে পড়েছিলেন মাইক্রোসফটের বর্তমান প্রধান।
 
প্রধান নির্বাহী হিসেবে কারা আছেন আলোচনায়
এর আগে মাইক্রোসফটের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে বলমার জানিয়েছিলেন, মাইক্রোসফটে নতুন মুখ প্রয়োজন। এখানে এমন একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার প্রয়োজন, যিনি দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেবেন।

মাইক্রোসফট নতুন সিইও খোঁজার জন্য ইতিমধ্যে বিশেষ একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও রয়েছেন। সম্ভাব্য সিইওর একটি তালিকা তৈরি করেছে এই কমিটি। তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে তাঁরা হলেন মাইক্রোসফট কর্মকর্তা সত্য নাদেলা, টনি বেটস, ট্যামি রেলার, কেভিন টার্নার, নকিয়ার সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিফেন ইলোপ, উইন্ডোজের সাবেক প্রধান স্টিভেন সিনোফস্কি ও জুনিপারের সাবেক সিইও কেভিন জনসন। ২০০০ সালে বিল গেটস মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর স্টিভ বালমার তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন।  ১৯৮০ সালে বলমার মাইক্রোসফটে যোগ দেন।

তালিকার বাইরে কারা আছেন আলোচনায়?
মাইক্রোসফটের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্মকর্তার ভার সব সময় তালিকা মেনে হবে, এমন তো কথা নেই। তালিকার বাইরেও হয়তো মেধাবী ও কর্মদক্ষ কাউকে নতুন মুখ হিসেবে মাইক্রোসফটে দেখা যেতে পারে। আবার হয়তো বিল গেটসও ফিরে আসতে পারেন কিছুদিনের জন্য।

বিল গেটসের ফিরে আসার সম্ভাবনা কতটুকু?
অস্ট্রেলিয়ার ‘ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস’ সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বিল গেটসের মাইক্রোসফটে ফিরে আসার সম্ভাবনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাতে বলা হয়, বিল গেটসের ফিরে আসা সম্ভব। তবে, অনেক প্রযুক্তি বিশ্লেষক এমনকি বিল গেটস নিজেও এ ধরনের গুঞ্জন বাতিল করে দিয়েছেন| বিল গেটসের মতো দক্ষ ও ঝানু প্রযুক্তিবিদের পক্ষে আবারও মাইক্রোসফটের হাল ধরা হয়তো কঠিন কিছু নয়। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০০৮ সালে যে মাইক্রোসফটের দায়িত্ব ছেড়েছেন তিনি, সেই প্রতিষ্ঠানটি এখন আর সে রকম নেই। প্রতিযোগিতা বেড়েছে, নতুন নতুন উদ্ভাবনের চাহিদা বেড়েছ, ভোক্তাদের রুচিতে পরিবর্তন এসেছে। তাই স্টিভ বলমারের বিদায়ের পর আবার পুরোনো ধারায় মাইক্রোসফটকে ফিরিয়ে নিতে বিল গেটসের ফিরে আসার সম্ভাবনা কম। হয়তো মাইক্রোসফটে নতুন মুখ দেখা দিতে পারে।

আলোচনায় ছিলেন জুলি
বর্তমানে গুগল থেকে ইয়াহুতে গিয়ে ভালোভাবেই ইয়াহুকে সামলাচ্ছেন মারিসা মেয়ার। নারী নেতৃত্বে ইয়াহু আবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। ইয়াহুর মতো মাইক্রোসফট যদি ভিন্নভাবে ভাবতে শুরু করে, তবে এ মুহূর্তে মাইক্রোসফটের মধ্যেই রয়েছেন একজন নারী কর্মী, যাঁর কাঁধে উঠতে পারে মাইক্রোসফট দেখাশোনার ভার। এ কর্মকর্তার নাম জুলি লারসন গ্রিন। বর্তমানে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ বিভাগের দেখাশোনা করছেন তিনি। মাইক্রোসফটের সিইও হিসেবে জুলির সম্ভাবনাও নাকচ করে দিচ্ছেন না প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।

কার পাল্লা ভারী?
‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্বে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সত্য নাদেলার। তিনি মাইক্রোসফটের ক্লাউড ও এন্টারপ্রাইজ বিভাগ দেখাশোনা করেন। এ ছাড়াও মটরোলার সাবেক প্রধান সঞ্জয় ঝাকেও বিবেচনায় রাখতে পারে মাইক্রোসফট। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন উইন্ডোজ বিভাগের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ট্যামি রেলার।

তারকা চাই
গুগলের ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, অ্যাপলের টিম কুক, ইয়াহুর মারিসা মেয়ার, আমাজনের জেফ বেজোস, ওরাকলের ল্যারি অ্যালিসন প্রমুখ তারকা প্রধান নির্বাহী। মাইক্রোসফটের ক্ষেত্রেও এমন একজনকে প্রয়োজন যাঁর থাকবে দূরদৃষ্টির পাশাপাশি তারকাখ্যাতি ও ব্যবসায়িক বুদ্ধি।

যিনি নেই তাঁরই খোঁজে
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট আরসটেকনিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপলের স্টিভ জবস কিংবা মাইক্রোসফটের বিল গেটসের মতো দূরদৃষ্টিসম্পন্ন উদ্ভাবক ও ব্যবসায়িক প্রধান নির্বাহী এখন খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। মাইক্রোসফটকে পরবর্তী দশকে টিকে থাকতে হলে এমন একজনকে নিয়োগ দিতে হবে ‘যার আসলে অস্তিত্ব নেই’।

উইন্ডোজ এক্সপি ছাড়ার পরামর্শ

উইন্ডোজের সাম্প্রতিক সংস্করণগুলো জনপ্রিয় করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে মাইক্রোসফট। এর মধ্যে রয়েছে এক্সপিকে বিদায় দেওয়া। ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিলের পর উইন্ডোজ এক্সপির জন্য আর কোনো আপডেট বা নিরাপত্তা না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফট অফিস ২০০৩-এর অফিশিয়াল সাপোর্টও শেষ হবে একই সময়ে। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, এক্সপির আপডেট বন্ধ করা হলেই কম্পিউটারের ম্যালওয়্যারের আক্রমণ বেড়ে যাবে। তাই আগেভাগেই মাইক্রোসফটের নতুন সংস্করণ আপডেট করার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এক সময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ এক্সপি ২০১৪ সালনাগাদ বন্ধ হবে আর উইন্ডোজ ৭ বন্ধ হবে ২০২০ সালের ১৪ জুন। ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত উইন্ডোজ ৭-এর  জন্য ফিচার আপডেট করে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।

২০১২ সালের ২৬ অক্টোবর নকশায় বড় ধরনের পরিবর্তন করে উইন্ডোজ ৮ বাজারে এনেছে মাইক্রোসফট। তবে, জটিল বলে উইন্ডোজ ৮ নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে অনেক। সম্প্রতি উইন্ডোজ ৮-এর আপডেট উইন্ডোজ ৮.১ উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ।

মাইক্রোসফটের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা পুরোনো সংস্করণ ছেড়ে অবশ্যই নতুন সংস্করণে অভ্যস্ত হবেন এতে কম্পিউটার সুরক্ষিত থাকবে।
 
ওয়েববিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান নেট অ্যাপ্লিকেশনসের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে উইন্ডোজের দখলে রয়েছে ৯১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, অ্যাপলের ম্যাক ওএসএক্সের দখলে রয়েছে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ আর লিনাক্সের দখলে রয়েছে ১ দশমিক ১৭ শতাংশ।

বর্তমানে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে জনপ্রিয় সংস্করণটি হচ্ছে উইন্ডোজ ৭। বর্তমানে উইন্ডোজ ৭-এর দখলে রয়েছে বাজারের ৪৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ। উইন্ডোজ ৭-এর পর জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এক্সপি। বাজারে ৩৭ দশমিক ১৭ শতাংশ এক্সপির দখলে। উইন্ডোজ ভিস্তার দখলে রয়েছে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ আর উইন্ডোজ ৮ দখল করেছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ।

নতুন ম্যাকবুক প্রো

নতুন আইফোনের পাশাপাশি ম্যাকবুকের নতুন সংস্করণও বাজারে আনতে পারে অ্যাপল। বাজার বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ইনটেলের তৈরি হ্যাসওয়েল প্রসেসরনির্ভর ম্যাকবুক প্রোর নতুন সংস্করণের ঘোষণা দেবে অ্যাপল। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট।

১০ সেপ্টেম্বর অ্যাপল নতুন মডেলের দুটি আইফোন ও ম্যাকবুকের ঘোষণা দেবে বলে প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ব্লগে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য হলো, তাইওয়ানের কারখানায় এরই মধ্যে ম্যাকবুক প্রোর নতুন সংস্করণ তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে। এদিকে ম্যাকবুকের সঙ্গে ইনটেলের চতুর্থ প্রজন্মের দ্রুতগতির প্রসেসর হ্যাসওয়েল যুক্ত করার তথ্য জানিয়েছে হংকংভিত্তিক সাপ্লাই চেইন নজরদারি প্রতিষ্ঠান ইএমএসওয়ান।

হ্যাসওয়েল প্রসেসর থাকায় ম্যাকবুক প্রো হবে শক্তিসাশ্রয়ী। অ্যাপলের জনপ্রিয় ম্যাকবুক প্রো সিরিজের নতুন সংস্করণে উন্নত প্রসেসরের পাশাপাশি ইনটেলের আইরিশ প্রো ৫২০০ গ্রাফিকস প্রসেসিং ইউনিট ব্যবহূত হবে।
 
গত ১০ জুন ‘ওয়ার্ল্ডওয়াইড ডেভেলপারস কনফারেন্স’ নামে ২৪তম বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। এই আয়োজনে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক জানিয়েছিলেন, ম্যাকবুক নোটবুকের ভবিষ্যত্ বদলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এটি সেরা নোটবুক। পিসির ক্ষেত্রে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ৩ শতাংশ হলেও অ্যাপলের ম্যাকবুকের ক্ষেত্রে তা ১৫ শতাংশ।

১৮ অক্টোবর আসছে উইন্ডোজ ৮.১

অবশেষে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের (ওএস) নতুন সংস্করণ ৮.১ বাজারে ছাড়ার তারিখ ঘোষণা করেছে মাইক্রোসফট করপোরেশন। আগামী ১৮ অক্টোবর নতুন সংস্করণ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা। গত ২৬ জুন প্রথমবারের মতো নতুন এ সংস্করণের প্রিভিউ দেখানো হয়।
নতুন ৮.১ সংস্করণের উইন্ডোজে ফিরে আসছে ‘স্টার্ট’ বোতামটি। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে উইন্ডোজ ৮ বাজারে এসেছিল, যাতে প্রথমবারের মতো বাদ দেওয়া হয়েছিল স্টার্ট বোতামটি। যাঁরা ইতিমধ্যে উইন্ডোজ ৮ ব্যবহার করছেন, তাঁরা বিনা মূল্যেই হালনাগাদ করে নিতে পারবেন নতুন এ সংস্করণে। মূলত স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার উপযোগী অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতেই উইন্ডোজ ৮ বাজারে নিয়ে আসে মাইক্রোসফট। বাজারে আসার পর ব্যবহারকারীদের পছন্দের তালিকায়ও দ্রুত জায়গা করে নিয়েছে নতুন ওএসটি, যাতে ছিল দারুণ সব নতুন বৈশিষ্ট্য। জুন পর্যন্ত উইন্ডোজ ৮-এর ১০ কোটি লাইসেন্স বিক্রি হয়! মাইক্রোসফটের ব্লগে বলা হয়, ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন কিছু যোগ হয়ে আসছে উইন্ডোজের নতুন এ সংস্করণ। ১৮ অক্টোবর রাতেই নিউজিল্যান্ডের ব্যবহারকারীরা পাবেন এ সংস্করণ এবং এর পরই সারা বিশ্বের ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত হবে ৮.১ সংস্করণ। আগের সব সুবিধার পাশাপাশি হালনাগাদ সংস্করণে যুক্ত হচ্ছে উন্নত পার্সোনালাইজেশন সুবিধা, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ১১, নতুন অ্যাপস, উইন্ডোজ স্টোরের নতুন অভিজ্ঞতা আর ক্লাউড সংযোগ, যার মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে স্কাইড্রাইভ। ব্যবহারকারীদের নিজেদের সবগুলো বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে নতুন অভিজ্ঞতা দিতেই মাইক্রোসফটের নতুন এ হালনাগাদ যা বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করবে বলেই মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।

ফাংশন কি F1 থেকে F12

কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় নানা অংশের মধ্যে অন্যতম কি-বোর্ড। কি-বোর্ডে থাকা নানা ধরনের বোতামের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন কাজ। একেবারে ওপরের সারিতে যে বোতামগুলো আছে, সেগুলো বাঁ দিক থেকে শুরু হয়েছে F1 দিয়ে। শেষ হয়েছে F12 দিয়ে। এগুলো ফাংশন কি। প্রায় প্রতিটি সফটওয়্যারে এগুলোর বিশেষ কিছু কাজ রয়েছে। তাই জানানো হচ্ছে এখানে।
F1
এই ফাংশন কি উইন্ডোজের সব জায়গায় হেল্প মেনু হিসেবে কাজ করে থাকে। আপনি যদি কোনো প্রোগ্রামে কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ কোনো অংশের কাজ না পারেন বা কোনো সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে, তাহলে F1 চাপলে সেই প্রোগ্রামের সাহায্যে পর্দায় চালু হয়ে যাবে। হেল্প দেখে সেই বিষয় শিখে নিতে পারবেন। SHIFT + F1 চাপলে সংবেদনশীল সাহায্য সেবা বিন্যাস আকারে প্রকাশ পাবে। CTRL + ALT + F1 চাপলে মাইক্রোসফট সিস্টেম তথ্য দেখা যাবে।
F2
এটি ব্যবহার করে যেকোনো ফাইল, ফোল্ডারের নাম বদলানো (রিনেম) যায়। যেকোনো ফোল্ডার নির্বাচন করে F2 চাপলে সেই ফোল্ডারের নামবদলের সুযোগ পাবেন। ওয়ার্ডে এই ফাংশন কির কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যবহার রয়েছে। Alt + Ctrl + F2 চাপলে পুরোনো ডকুমেন্ট ফাইল খোলা যাবে। Ctrl + F2 চেপে প্রিন্ট নমুনা (প্রিভিউ) দেখা যাবে। ALT + SHIFT + F2 চাপলে ফাইল সেভ করা যাবে। SHIFT + F2 চেপে লেখা কপি করা যাবে। F2 কি চেপে কোনো কোনো মাদারবোর্ডের বায়োস সেটাপে ঢোকা যায়।
F3
কম্পিউটারে কাজ করার সময় কোনো তথ্য খুঁজে নিতে হলে F3 চাপতে হবে। এমএস-ডসের নির্দেশনা আবার দেখানোর কাজে F3 ব্যবহার হয়। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা নির্বাচন করে Shift + F3 কি চাপলে নির্বাচিত অংশের লেখা ছোট হাতের থেকে বড় হাতের লেখায় পরিণত হবে।
F4
ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার চালু করে F4 চাপলে ওয়েব ঠিকানা লেখার জায়গায় হিস্ট্রি (সাম্প্রতিক সময়ে দেখা ওয়েবসাইটের তালিকা) দেখাবে। ALT + F4 চাপলে উইন্ডোজে চালু থাকা যেকোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করা যাবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে F4 কি চাপলে সর্বশেষ কাজ পুনরায় হবে (আনডু)। SHIFT + F4 চাপলে Find or Go To কাজ করবে। CTRL + F4 চাপলে চালু থাকা ডকুমেন্টসের উইন্ডো বন্ধ হবে।
F5
এটি চাপলে চালু থাকা উইন্ডোজ রিফ্রেশ হবে। ইন্টারনেট দেখার সফটওয়্যারে F5 চাপলে ওয়েবসাইটের ওই পাতা আবার আসবে (লোড হবে)। পাওয়ার পয়েন্টে F5 চেপে স্লাইডশো দেখা যায়। ওয়ার্ডে F5 কি চাপলে Find and replace window চালু হবে। SHIFT + F5 চেপে আগের রিভিশনে ফিরে যাওয়া যায়। CTRL + SHIFT + F5 চাপলে Bookmarks সম্পাদন করা যাবে। ALT + F5 চাপলে ওয়ার্ড প্রোগ্রাম বন্ধ হবে।
F6
এই কি চাপলে কারসর ইন্টারনেট ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেস বার) চলে যাবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে CTRL + F6 কি চাপলে চালু থাকা সব ডকুমেন্টকে পর্যায়ক্রমে দেখাবে। Ctrl + Shift + F6 চাপলে আরেকটি ওয়ার্ড ডকুমেন্ট চালু হবে।
F7
উইন্ডোজে এই কির খুব বেশি কাজ নেই। তবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে SHIFT + F7 কি চাপলে এর অভিধান থেকে সমার্থক শব্দ খুঁজে নেওয়া যাবে।
F8
উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় এই কি চাপলে উইন্ডোজ সেফ মুডে কাজ শুরু করবে। ওয়ার্ডে Shift + F8 চাপলে নির্বাচিত অংশকে সংকোচন করা যায়। ALT + F8 চাপলে ম্যাক্রো চালু হবে।
F9
এটি চাপলে উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের আওয়াজ (ভলিউম) বাড়ানো যায়। ওয়ার্ডে CTRL + F9 কি চাপলে ফাঁকা ক্ষেত্র তৈরি হবে।
F10
এটি চাপলে উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের ভলিউম কমানো যায়। F10 চাপলে অধিকাংশ প্রোগ্রামের মেনু বার দেখায়। যেকোনো ফোল্ডার নির্বাচন করে Shift + F10 চাপলে শর্টকাট মেনু দেখাবে।
F11
যেকোনো ইন্টারনেট ওয়েব ব্রাউজারে F11 চাপলে সেটি পর্দাজুড়ে (ফুলস্ক্রিন) দেখাবে। মাইক্রোসফট এক্সেলে Shift + F11 চাপলে নতুন স্প্রেডশিট খোলা যাবে। CTRL + F11 চাপলে নতুন ম্যাক্রো ওয়ার্ডবুকে যোগ হবে।
F12
অভ্র বাংলা কি-বোর্ড বাংলা/ইংরেজি লেখা যাবে F12 কি চেপে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Ctrl + Shift + F12 কি চেপে যেকোনো ডকুমেন্টস প্রিন্ট করা যাবে। Shift + F12 কি চাপলে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা যাবে।

দ্রুত ছড়াচ্ছে বিবোন ভাইরাস!

ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে সম্প্রতি ‘বিবোন’ নামে একটি মারাত্মক কম্পিউটার ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ভারতের কম্পিউটার বিশেষজ্ঞরাও বিবোন ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এক খবরে জানিয়েছে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া।
বিবোন ভাইরাস কম্পিউটারে ম্যালওয়্যারকে ঢুকতে সাহায্য করে। এটি ট্রোজান ম্যালওয়্যারের ভয়ংকর গোত্রের একটি সফটওয়্যার যা ছদ্মবেশে কম্পিউটারে ঢুকে অন্যান্য ম্যালওয়্যারের জন্য কম্পিউটারে প্রবেশের পথ খুলে দেয়।
ভারতের কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপনস টিমের গবেষকেরা জানিয়েছেন, ট্রোজান উইন ৩২/বিবোন নামের এ ভাইরাসটি দ্রুত ছড়াচ্ছে। এক্সটার্নাল কোনো ডিভাইস কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করার আগে তাই সাবধান থাকা উচিত।
এর আগে মাইক্রোসফটের গবেষকেরাও বিবোন ভাইরাসটির অস্তিত্বের কথা জানিয়েছিলেন। মাইক্রোসফটের গবেষকেদের মতে,  বিবোন ভাইরাসটি কম্পিউটারে ঢুকে অন্য ভাইরাসগুলোকেও ডেকে আনে। ছদ্মবেশী ভাইরাস বলে অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার একে শনাক্ত করতে পারে না। তাই এ ভাইরাস কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা কঠিন।
দ্রুত ছড়ানো ভাইরাসটি অনলাইনের ভাইরাসযুক্ত অচেনা লিংক এমনকি ইউএসবি ড্রাইভ থেকেও ছড়াতে পারে। অটোরান ফিচারটি নিষ্ক্রিয় রাখা, হালনাগাদ সফটওয়্যার ও অ্যান্টি ভাইরাসের ব্যবহার বিবোন থেকে কম্পিউটারকে সুরক্ষা দিতে পারে।

Loading
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Flying Twitter Bird Widget By ICT Sparkle