Welcome to Onlinetunes24 .....

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

This is default featured post 1 title

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

This is default featured post 2 title

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

This is default featured post 3 title

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

This is default featured post 4 title

We are committed to become your long-term, trusted partner. Our priority is not only to provide professional services and solutions but to become your IT vendor dedicated to meet your needs today and support your growing business needs tomorrow.

Showing posts with label জীবনী. Show all posts
Showing posts with label জীবনী. Show all posts

মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিলগেইটস এর আত্মজীবনী

ছেলেবেলাঃ
জন্ম ১৯৫৫। বিল তার প্রথম কম্পিউটার দেখেন বাড়ীর কাছেই ছোট্ট একটি কম্পিউটার ফার্মে। রাতের বেলা তিনি আর তার বাল্য বন্ধ পল অ্যালান ঐ কম্পিউটার ফার্মে কাজ করতেন। তারা দুজনে মিলে ট্রাফিক সিগনাল কন্ট্রোলের একটি সফটওয়্যার বানান এবং পরবর্তীতে দুজন একত্রেই মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন। কিছু দিন আগেও বিল গেইট্স যখন বিশ্বের সেরা ধনী নির্বাচিত হন তখন পল এ্যালান ছিলেন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্পদশালী ব্যক্তিত্ব।
শিক্ষাঃ হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক। কিন্তু তিনি তার শিক্ষা জীবন সম্পুর্ণ করেননি। তিনি হার্ভাড থেকে চলে আসার আগে তার এক শিক্ষককে বলেছিলেন, তিনি তিরিশ পেরোনোর আগেই মিলিয়নিয়ার হবেন। কিন্তু তার কথাটি ঠিক ছিল না। কারণ, তিনি মিলিয়নিয়ার নয় বরং বিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবনঃ
বিল গেইটস ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জনক ক্যাথরিন ও রণ গেইটস। তার সহধর্মী মেলিন্ডা গেইটস এককালের সহকর্মী।
মোট সম্পদঃ
১০০ বিলিয়নের কম এবং ১৮ বিলিয়নের বেশী।
লেখালেখিঃ
  • Business @ the Speed of Thought,
  • The Road Ahead
মাইলস্টোনঃ
  • মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোডাকশন হল ডস (ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম) যা বিল ৫০ ডলারের বিনিময়ে কিনে নিয়েছিল একটি অখ্যাত কোম্পানীর কাছ থেকে এবং কুইক এন্ড ডারটি ওস(কিউডস) নাম বদলে একটু সুন্দর ও সহজ করে সেটি বিক্রি করে দিয়ে ছিল আইবিএম এর কাছে।
  • উইন্ডোজ ৩.১, যা মাইক্রোসফট অ্যাপলের কাছ থেকে দেখে তৈরী করে। আর অ্যাপল সেটি নিয়েছিল জেরক্সএর কাছ থেকে!!
  • উইন্ডোজ ৯৫, ম্যাকওসের সরাসরি নকল। কিন্তু স্ট্যাবিলিটি ও ক্ষমতাতে তার ধারে কাছেও নেই।
  • উইন্ডোজ এনটি- ডিজিট্যাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশনের ভিএমএস নামক একটি সিস্টেমকে মাইক্রোসফট কিনে নেয় এবং পরবর্তীতে উক্ত সিস্টেমের প্রোগ্রামারদেরও নিজ সংস্থায় নিয়ে যায়। তারাই উইন্ডোজ এনটি ডেভেলপ করে দেয়।
  • এমএস ওয়ার্ড নিয়ে যাদের এত খুশি তাদের আরও আনন্দ পাবেন এটি জেনে যে, এটি চুরি করা হয়েছিল ওয়ার্ডপারফেক্ট ও অ্যামিপ্রো হতে। বর্তমানে কোরেল কোম্পানী প্রায় হারিয়ে যাওয়া এই ওয়ার্ডপারফেক্ট নিয়ে নানা গবেষণা করে এর উন্নত সংস্করন বের করলেও তা খুব একটা নাম করতে পারেনি। একই ভাবে মাইক্রোসফট তার প্রায় প্রতিটি বিখ্যাত সফট্ওয়্যার কখন নকল করে (যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার নেটস্কেপ নেভিগেটর হতে নকল করে), কখনও উৎপাদনকারী সংন্থাকে কিনে নিয়ে আবার কখনও উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোকে ধ্বংস বা দেউলিয়ে করে কিনে নিয়েছে। সম্ভবতঃ একারণেই বিলগেইটসের মাইক্রোসফট সফটওয়্যার জায়ান্ট বা সফটওয়্যারে দৈত্য হিসেবে খ্যাত।

অ্যাপলের আসল কারিগর – স্টিভ ওজনিয়্যাক

অসাধারণ প্রতিভাধর কম্পিউটার বৈজ্ঞানিক স্টিভ ওজনিয়্যাকের জন্ম ক্যালিফোর্নিয়ার সানজোসে শহরে। তার উদ্ভাবিত কম্পিউটার ‘‘অ্যাপল-১’’ সত্তর দশকে চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস এই ওজনিয়্যাকের সাথেই জন্ম দেন অ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানি। তাঁদের উদ্ভাবিত ‘‘অ্যাপল-২’’ ও সত্তর-আশির দশকে কম্পিউটারপ্রেমীদের মাতিয়ে রেখেছিল। ১৯৮৫ সালে ওজনিয়্যাক অ্যাপল ছেড়ে চলে যান এবং আর কখনও ফিরে আসেননি।
স্টিভ ওজনিয়্যাকের ডাকনাম ‘‘ওজ’’। ওজের জাদুকর গল্পে অনুকরণেই তার এই নামকরণ। তিনি আমেরিকার বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াতে (বার্কলে) পড়তে গেলেন ১৯৭৫ সালে। কিন্তু অল্প কিছু পড়েই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং ছোটখাট ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বানাতে শুরু করেন। অবশ্য তার অধিকাংশ আবিষ্কারের উদ্দেশ্যই ছিল সেই সময়ের পাউলো-আলতোর হোম-ব্রিউ কম্পিউটার ক্লাবের সদস্যদের একটুখানি মুগ্ধ করা। এই সব প্রজেক্টের তেমন কোন ভবিষ্যৎও ছিল না বলা চলে।
আমেরিকার বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াতে পড়তে গেলেন ১৯৭৫ সালে কিন্তু অল্প কিছু পড়েই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। পরে অবশ্য ১৯৮৬ সালে আবার এখানে ফিরে এসে ব্যাচেলর ডিগ্রী নেন। কিন্তু তাও নিজের নামে নয়- রকি ক্লার্ক ছদ্মনামে
বন্ধু জবসের সাথে মিলে ওজ ঠিক করলেন তারা একটি কম্পিউটার তৈরী করবেন এবং বাজারে বিক্রিও করবেন। ব্যস যেমন ভাবা তেমনই কাজ। নিজের এইচপি সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ও স্টিভ জবসের ভক্সওয়াগনটি বিক্রি করে ১৩০০ ডলার পাওয়া গেল এবং সেই টাকায় তাঁরা দুজন রাত-দিন খাটাখাটি করে তৈরী করলেন কাঙ্খিত সেই কম্পিউটারের প্রটোটাইপ বা নমুনা। এটি তৈরী হলো জবসের বাসার গ্যারেজে। তাদের প্রথম এই কম্পিউটারটি ছিল সেই সময়ের হিসেবে অসাধারণ একটি যন্ত্র।
তখন বাজারে সাধারণতঃ যে কম্পিউটার পাওয়া যেত তার নাম ছিল আল্টিয়ার-৮৮০০। কিন্তু এর ছিল না কোন ডিসপ্লে কিংবা সত্যিকারের স্টোরেজ ব্যবস্থা। এমনকি আউটপুটও আসতো লাইট ফ্লাশিং এর মাধ্যমে। এই ধরনের কম্পিউটার শখের ইলেকট্রনিক কাজের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য অবশ্যই নয়।
অন্যদিকে ওজের কম্পিউটার ‘‘অ্যাপল-১’’ ছিল সবদিক থেকেই দারুন স্বয়ং সম্পূর্ণ। এতেছিল ২৫ ডলারের একটি মাইক্রোপ্রসেসর যার নাম মস ৬৫০২ এবং স্থায়ী মেমরী বা রম (ROM)।
১৯৭৬ সালের পহেলা এপ্রিলে ওজ তার বন্ধু জবসের সাথে গঠন করলেন অ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানী। এর জন্য তিনি তার হিউলেট-প্যাকার্ডের চাকুরীও ছেড়ে দিলেন এবং অ্যাপলে যুক্ত হলেন গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে।
এবার তিনি তার পুরো সময় এবং মেধা ব্যয় করলেন ‘‘অ্যাপল-১’’ এর উন্নয়নে। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি উদ্ভাবন করলেন ‘‘অ্যাপল-২’’ যাতে ছিল উন্নত রেজুলেশনের ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা যেখানে অন্যান্য কম্পিউটার শুধুমাত্র লেখা প্রদর্শন করেই ক্ষান্ত ছিল। তিনি এতে একটি ফ্লপি ডিস্ক কন্ট্রোলার যুক্ত করলেন এবং সেই সাথে রাল্ডি উইগিংটনকে (ম্যাকরাইট সফটওয়্যারের জনক, অ্যাপল কোম্পানীর প্রথম কর্মী) নিয়ে লিখে ফেলেন একটি আদর্শ ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। এভাবে হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশ ডিজাইনের পাশাপাশি ওজ নিজেই অ্যাপলেন বেশির ভাগ সফটওয়ারও লিখে ফেলতে লাগলেন। তৈরী করলেন ক্যালভিন নামের একটি উন্নত প্রোগ্রামিং ভাষার ইন্টাপ্রেটর, সুইট-১৬ নামের ১৬-বিট প্রসেসরের ইন্সট্রাকসন সেট, ব্রেকআইট নামের একটি কম্পিউটার গেম ইত্যাদি। এই গেমটি তৈরী করতে গিয়েই তিনি বুঝতে পারলেন এখন সময় এসেছে কম্পিউটারের সাথে স্পিকার যুক্ত করার, যাতে এটি শব্দও করতে পারে।
১৯৮০ সালে ওজ মিলিয়নিয়ার বনে গেলেন। তাঁকেই অ্যাপল কম্পিউটারের গডফাদার বলা হতো। কিন্তু এর পরই ঘটলো অঘটন। ‘‘অ্যাপল-২’’ এর পর ‘‘অ্যাপল-৩’’ তেমন বাজার ধরতে পারলো না এবং পাশাপাশি আরেক লিসা প্রকল্পেরও ধস নামালো। ১৯৮১ তে ওজ সামত্মাক্রুজ স্কাই পার্কে একটি বিমান দূর্ঘটনায় কিছুদিনের জন্য তাঁর স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। কিভাবে এই দূর্ঘটনাটি ঘটলো এবং কোথায় এইসব কোন তথ্যই তাঁর মনে রইলো না। তাঁর বান্ধবী সিন্ডি ক্লার্কের কাছে পর্যন্ত জানতে চাইলেন কি ঘটেছিল সেইদিন। যখন সিন্ডি আস্তে আস্তে সব খুলে বলল ওজের স্মৃতিশক্তি ফিরে আসতে লাগলো। যদিও ওজের কম্পিউটার গেমের আসক্তিও স্মৃতিশক্তি ফেরাতে সহায়তা করে অনেকটাই।
সেই প্লেন দূর্ঘটনায় ওজের এই দুরবস্থা হয়েছিল তার নাম ছিল ‘‘বীচ বোনানজা’’। সান্তাক্রজের স্কাইপার্ক থেকে উড়তে গিয়ে এই দূর্ঘটনাটি ঘটে। কিন্তু সুস্থ্য হওয়ার পর ওজনিয়্যাক আর অ্যাপলে ফিরে গেলেন না। বরং তিনি তাঁর বান্ধবী ক্লার্ককে বিয়ে করলেন। যাকে তিনি মজা করে ‘‘সুপার ওম্যান’’ বলে ডাকতেন। কারণ, সুপারওম্যানের হারানো স্মৃতিশক্তি (ক্রিপনোইটের আঘাতে) ফেরাতে সুপার ওম্যানের ভূমিকাই বেশি। যাইহোক, অ্যাপলে না গিয়ে তিনি বরং তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি বার্কলেতে ফিরে এলেন এবং ১৯৮৭ সালে তার স্নাতক পড়াশুনা শেষ করলেন। কিন্তু তাও নিজের নামে নয় রকি ক্লার্ক ছদ্মনামে। রকি ছিল তাঁর কুকুরের নাম আর ক্লার্ক হলো বউ এর শেষ নাম। এর মধ্যে যদিও তিনি একবার অ্যাপলে ফিরে এসেছিলেন কিন্তু সামান্য এক ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ে বেশি বড় কোন পদ নিতে চাইলেন না। বরং সহকর্মীদের উৎসাহ দিতেই তার বেশি ভাল লাগতো।
স্টিভ ওজনিয়্যাক আমেরিকার বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে থেকে অবশেষে ডিগ্রী নিলেন তাঁর প্রিয় কুকুর রকির ছদ্মনামে
এবার তিনি আরেক নতুন কোম্পানী তৈরী করেন যার নাম ‘‘ক্লাউড-৯’’ এর কাজ ছিল ইউনিভার্সাল রিমোট কন্ট্রোল তৈরী করা। যা দিয়ে নানা রকম যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ১৯৮৭ তে এটি তৈরী হলো। এরপর তিনি প্রকৌশলী কাজকর্মও ছেড়ে দিলেন। সব বাদ দিয়ে তিনি স্কুলের ক্লাশ ফাইভের বাচ্চাদের পড়াতে শুরু করলেন। শুধু তাই নয়, নিজের সমস্ত অর্থই তিনি দান করে দিলেন স্থানীয় একটি স্কুলে (যেখানে তিনি ছোটবেলায় পড়েছিলেন) যার নাম ছিল বাটস গ্যাটোস ডিস্ট্রিক্ট স্কুল। এর পাশাপাশি তৈরী করলেন ইউনুসন (Unuson-Unite us In Song) নামের একটি দাতব্য সংস্থা যার মাধ্যমে আমেরিকার বড় বড় দুটি উৎসব আয়োজন করলেন।
সানজোসের বাচ্চাদের একটি জাদুঘরেও তিনি বহু অর্থ দান করলেন এবং এর উন্নয়নে কাজ করে সকলের মন জয় করে নিলেন, বিশেষ করে বাচ্চাদের। সেই জাদুঘরের সামনের রাস্তাটির নামকরণ করা হলো তাঁরই নামানুসারে ওজ ওয়ে (Woz Way), আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান তাকে প্রযুক্তিতে অবদান রাখার জন্য ন্যাশনাল মেডল অব টেকনোলজি প্রদান করলেন। ১৯৯৭ তে কম্পিউটার ইতিহাসের জাদুঘর তাঁকে ফেলো হিসেবে অন্তর্ভূক্ত নিল। ২০০০ সালে আমেরিকার জাতীয় উদ্ভাবকদের লিস্টিতে যুক্ত করা হলো।
২০০২ সালে তিনি আবার তথৎ প্রযুক্তির মাঝে ফিরে এলে এবং হুইলস অব জিউস বা সংক্ষেপে ওজ (Woz) প্রকল্পের শুরু করলেন তারবিহীন গ্লোবাল পজিসনিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করা। একই বছর তিনি ডেনগার ইনকোর্পোরেটের বোর্ড অব ডিরেক্টরদের একজন হিসেবে যোগ দিলেন এবং টি-মোবাইলেন জন্য হিপটপ নামের একটি প্রযুক্তি তৈরী করতে লাগলেন।
২০০৪ সালে ড. টম মিলারের উদ্যোগে ওজকে নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করলো কম্পিউটার জগতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য। ২০০৫ সালে ওজ আরো দুটি ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন মিশিগান ও ফ্লোরিডার দুটি নামী বিশ্ববিদ্যালয় হতে। পাশাপাশি বাচ্চাদের স্কুলের জন্য ছোটখাট কাজে ব্যস্ত রইলেন।একই বছর তার হুইলস অব জিউস প্রকল্প বন্ধ করে দিয়ে নতুন এক প্রকল্পের শুরু করলেন যার নাম অ্যাকুইয়ার টেকনোলজি। এর কাজ ছিল বিভিন্ন প্রযুক্তির কোম্পানী হতে টেকনোলজি অধিগ্রহণ এবং সেই টেকনালজির উন্নয়ন সাধন করা।
ওজের আত্মজীবনী প্রকাশ করা হলো ২০০৬ সালে যার নাম ছিল ‘‘আইওজ: ফ্রম কম্পিউটার গিক টু কাল্ট আইকন-হাউ সাই ইনভেন্টেড পার্সনাল কম্পিউটার, কো-ফাউন্ডেড অ্যাপল এন্ড হ্যাড ফান ডুইং ইট (iWoz: From Computer Geek to Cult Icon: How I Invented the Personal Computer, Co-Founded Apple, and Had Fun Doing It.)’’
এখন ওজ ব্যস্ত আছেন পোলো খেলা নিয়ে। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া সমুদ্রতটের স্যাগওয়ে পোলো টীমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তার দলে আছেন সিলিকন ভ্যালীর কম্পিউটার জগতের আরও অনেক ভগ্নহৃদয় প্রযুক্তিবিদ।
ব্যক্তিজীবনে ওজ একজন মজার মানুষ। সেই সময় তিনি তাঁর বাসা হতে ডায়াল-এ-জোক নামের মজার এক ফোন সার্ভিস চালু করেন। এই কাজ করতে গিয়েই তাঁর পরিচয় হয় একটি মেয়ের সাথে এবং পরবর্তীতে তাকেই তিনি বিয়ে করেন।
দুষ্ট কাজেও তিনি ছিলেন ওস্তাদ ব্যক্তি। ক্যাসিনোর ছেড়া স্লিপ সংগ্রহ করে সেগুলো দিয়ে বই বানিয়ে আবার বই স্লিপ কেটে দর্শনার্থীর কাছে বিক্রি করা ছিল তাঁর প্রিয় কাজের মধ্যে একটি। এরকম করতে গিয়ে লাস ভেগাসের এক ক্যাসিনোতে একবার ধরাও পড়তে হয় তাঁকে। তিনি খুব ভাল গিটারও বাজাতে পারেন। তার প্রিয় একটি উক্তি হলো ‘‘এমন কম্পিউটারকে কখনও বিশ্বাস করো না, যা তুমি জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলতে পারো না।’’ তার এই বিখ্যাত উক্তি পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয় সিভিলাইজেশন-৪ নামের একটি কম্পিউটার গেমে।
ওজকে নিয়েও বিভিন্ন সময়ে নির্মিত হয়েছে ডকুড্রামা ও কার্টুন চিত্র। এদের মধ্যে ‘‘ক্যাম্প নাওহয়্যার’’ চরিত্রে দেখা যায় ওজের নাম নিয়ে এক ব্যক্তি বাচ্চাদের ক্যাম্পে নিয়ে পালায়। ‘‘ইউরেকা-৭’’ কার্টুন চিত্রে দেখা যায় এক হ্যাকারের নাম ওজ। এমনকি লার্স নামের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীর গান ‘‘আহাব’’ এ ওজের কথা শুনতে পাওয়া যায়। এছাড়া ‘‘পাইরেটস অব সিলিকন ভ্যালী’’ ও ‘‘ট্রিয়াম্পফ অব নেরডস’’ ডকুড্রামাতেও ওজের ছদ্ম উপস্থিতি দেখা যায়।
‘‘এমন কম্পিউটারকে কখনও বিশ্বাস করো না, যা তুমি জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলতে পারো না।’’ তাঁর এই বিখ্যাত উক্তি পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয় সিভিলাইজেশন-৪ নামের একটি কম্পিউটার গেমে। ওজনিয়্যাক এখন কম্পিউটারের চেয়ে ছোটখাট স্কুলের কাজ করতেই বেশি ভালবাসেন
প্রতিভাবান এই কম্পিউটার বৈজ্ঞানিক ওজ তাঁর প্রথম জীবনে পারসনাল কম্পিউটারের উন্নয়নের জন্য অবদান রাখেন কিন্তু পরবর্তীতে কম্পিউটারে কাছ থেকে সরে এসে নিয়েজিত হন সমাজ কল্যাণে এবং নিলোর্ভ এই ব্যক্তি এখন ছোট ছোট কাজের মাঝেই আনন্দ খুঁজে পান।

আলবার্ট আইনস্টাইনের পূর্ণ জীবন

আলবার্ট আইনস্টাইন (জার্মান ভাষায়: Albert Einstein আল্‌বেয়াট্‌ আয়ন্‌শ্‌টায়ন্‌) (১৪ই মার্চ, ১৮৭৯ - ১৮ই এপ্রিল, ১৯৫৫) একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। আলবার্ট আইনস্টাইন জন্মসূত্রে ছিলেন জার্মান । তিনি সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ববিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের জনক হিসাবে এবং আলোর কণাধর্মের ব্যাপারে সাহসী অনুকল্পের (Hypothesis) জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনিই সম্ভবত বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে পরিচিতিপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী।আইনস্টাইন ১৮৭৯ সালের (ঊনবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল'র মৃত্যুর বছর) ১৮ই মার্চ উল্‌ম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব কাটে মিউনিখ-এ। সেখানে তাঁদের পরিবারের একটা ছোট্ট তাড়িৎ যন্ত্রাদি নির্মাণের দোকান ছিল। তিন বছর বয়সের পর থেকে প্রথম কথা বলা শুরু করলেও অল্পবয়সেই তাঁর মধ্যে প্রকৃতির প্রতি অপার কৌতুহল এবং বিভিন্ন জটিল গাণিতিক ধারণাসমূহ বোঝার ক্ষেত্রে বিশেষ পারঙ্গমতা পরিলক্ষিত হয়। ১২ বছর বয়সে তিনি নিজে নিজেই ইউক্লিডীয় জ্যামিতি আয়ত্ত করেন।আইনস্টাইন মিউনিখের বিদ্যালয়ের একঘেয়ে পড়াশুনা এবং নিয়মকানুনের প্রতি কড়াকড়িকে ঘৃণা করতেন। বারম্বার ব্যবসায়ে ব্যার্থতার দরুণ জার্মানি ছেড়ে তাঁদের পরিবার ইতালিমিলানে পাড়ি জমায়। আইনস্টাইনের তখন ১৫ বছর বয়স। এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের পাঠ পরিত্যাগ করেন। মিলানে একটি বছর তিনি পরিবারের সাথে কাটিয়ে দেন। ততদিনে 'কঠিন এই দুনিয়ায় নিজের পথ নিজেকেই দেখতে হবে' কথাটি তিনি অনুধাবণ করতে শিখে গেছেন, আর তাই সুইজারল্যান্ড'র আরাও (Aarau)-তে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি জুরিখ-এ অবস্থিত সুইস ফেডেরাল ইন্সটিটিউট অফ টেকনলজি (Swiss Federal Institute of Technology)-তে ভর্তি হন। কিন্তু ওখানকার পাঠদান পদ্ধতি তাঁর ভালো লাগতো না। প্রায়শই তাই ক্লাস ফাঁকি দিয়ে তিনি ওই সময়টাতে পদার্থবিজ্ঞানে নিজের খেয়ালমত বিষয়গুলি পড়তেন নতুবা তাঁর সাধের ভায়োলিনটি বাজাতেন। জনৈক সমপাঠীর ক্লাস-লেকচার পড়ে পড়েই তিনি পরীক্ষাগুলি উৎরে যেতেন। এমনি করেই ১৯০০ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তাঁর সম্পর্কে অধ্যাপকগণের ধারণা তেমন উঁচু ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন পদে চাকরির জন্য আইনস্টানকে মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারেও তাঁরা রাজি ছিলেন না।দুই বছর তিনি টিউটর এবং বদলি শিক্ষক(Substitute teacher) হিসাবে কাজ করেন। ১৯০২ সালে তিনি বার্নে অবস্থিত সুইস পেটেন্ট কার্যালয়ে পরীক্ষকের কাজ যোগাড় করতে সমর্থ হন। ১৯০৩ সালে তিনি বহুকৌশল(Polytechnique) শিক্ষালয়ের এককালীন সহপাঠিনী মিলেভা মেরিক এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুটি পুত্রসন্তান হয়। কিন্তু পরবর্তিতে তাঁদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে এবং আইনস্টাইন পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

একটা সত্য কাহিনি

আমি গল্পের বই পড়া তেমন পছন্দ করতাম না, তাই গল্পের বই আমার দ্বারা পড়া হয় নাই। আজ একটা গল্প লিখলাম, বাস্তব গল্প। গল্পটা আমার  খুব কাছের বন্ধু কে নিয়ে তার নাম সাগর । সে একটি মেয়েকে ভালবাসত, মেয়েটির নাম মীম।  প্রথম দেখার পর সে মীমকে খুব পছন্দ করে ফেলে, বলা যায় সে তার প্রেমে পড়ে গেছে। কিন্তু সাগর সে তার ভালবাসার কথা প্রথমে মিম কে বলেনি কারণ যদি মীম তাকে ফিরিয়ে দেয় তাই, এক পর্যায়ে সাগর আর মীম এর মধ্যে খুব ভাল একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ঊঠে। তাদের এই সম্পর্কে দেখে তাদের বন্ধুরা বুঝতে পারে তাদের মধ্যে প্রেম হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের মধ্যে তখন ও প্রেমের সম্পর্ক হয় নাই। এই ভাবেই তাদের দিন চলতে থাকে। তাদের মধ্যে কথা হত প্রতিদিন এমন কি তারা ক্লাস থেকে ফিরে ও সারাদিন কথা বলত ফোনে। তখন মীম এর কোন মোবাইল ছিলনা, সে তার মামীর নাম্বার থেকে তাকে ফোন করত। এক পর্যায়ে মীম তার বাবার নাম্বার থেকেও ফোন করা শুরু করে। এক পর্যায়ে মীম এর বাবার সাথে ও সাগরের পরিচয় হয়। মীম এর বাবা ও সাগর কে খুব ভালবাসত। আস্তে আস্ত মীম এর মা,ভাই-বোন এর সাথে ও তার পরিচয় হয়ে যায়। আর হে এর মধ্যে তাদের মধ্যে প্রেমের অধ্যায়টা শুরু হয়ে যায়। তাদের প্রেমের প্রথম এবং প্রধান শর্ত ছিল “তাদের এই সম্পর্কের কথা কেউ জানবে না। এমন কি তাদের কছের বন্ধুরা ও না”  এইভাবে তাদের দিন কাল চলতে থাকে। বছর দুয়েক পরের কথা তখন সাগর আর মীম ঢাকায় লেখা-পড়া করে। একদিন মীম সাগর কে ফোন করে তাকে বলে সে সাগরের সাথে আর সম্পর্ক রাখতে চায়না, সাগর তার কাছে কারন জানতে চায়, তখন মীম বলে দেখ আমি তোমাকে কষ্ট দিতে চাইনি কিন্তু আমার বাড়ি থেকে ফোন এসেছে আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে আমি আমার মা-বাবার মতের বিরোদ্ধে যেতে পারব না। কিন্তু এই কথা টা ছিল মীম এর বানানো গল্প, সত্যটা হল এর আগের দিন মীম একটা ছেলের সাথে দেখা করে, এই ছেলেটির সাথে মীম এর ফোনে পরিচয় হয়। ছেলেটির সাথে দেখা করে আসার পরের দিন মীম সাগরকে ফোন করে বলে তার সাথে সম্পর্কে রাখতে চায় না। মীম সাগরকে অনেক বুঝিয়ে বলে যে আমরা সারা জীবন ভাল বন্ধু হয়ে থাকব। তার পর থেকে তারা বন্ধুর মত চলা ফেরা করে । পরে একদিন সাগরের এক বন্ধু তাকে বলল যে সে মীম এর কাছ থকে শুনেছে যে , সে সাগর কে ভালবাসে কিছু সার্থের জন্য। যখন সাগর সেই ফ্রেন্ড এর কাছ থেকে জানতে পারল সেদিন তার  আর কিছু করার ছিল না। মীম ও সাগরের একটা ভাল ফ্রেন্ড ছিল লিজা। লিজা তাদের এই সম্পর্কের সব কিছু জানত, লিজা সাগর কে মাঝে মধ্যে একটা কথা বলত সাগর আমার মনে হয় তুই ভুল করচিস মীম তোকে ভালবাসে না, সে তোর সাথে অভিনয় করে যাচ্ছে। পরে মীম এর সকল অপকর্কের খবর সাগর লিজার কাছ থেকে পায়। তারপরে ও সাগর মীম কে নিয়ে স্বপ্ন দেখত। তাদের মধ্যে তখন ও কথা বার্তা হত। কিন্তু আজ থেকে প্রায় ৮ মাস আগে মীম সাগর কে ফোন করেছিল তাদের মধ্যে কথা-বার্তা হয়, কারব বশত সে দিন তাদের মধ্যে ফোনে কথা বলার সময় মন কষাকষি হয়, এর পর থেকে মীম আর সাগরে মধ্যে কোনদিন কথা হয়নি। সাগর মাঝে একবার মীম এর সাথে যোগযোগ করতে চেয়ে ছিল। কিন্ত মীম এর ফোন সে দিন বন্ধ ছিল। সাগর পরে জানতে পারে মীম এখন নতুন নাম্বার ব্যবহার করে। একদিন সাগরে এক বন্ধু তাকে ফোন করে বলল যে মীম এর বিয়ে হয়ে গেছে। এই খবর টা দেয়ার পরে সাগর তার বন্ধু কে বলল যে একটা খুশির খবর দিলে, তখন তার বন্ধু বলল তাহলে মিষ্ট খাওয়া। সাগর সেই বিষয় টা বিশ্বাস করতে পারেনি, কারণ সাগর তখব ও মীম কে পাগলের মত ভালবাসত এবং তাকে নিয়ে স্বপ দেখত। কিন্তু  তার ভালবাসার  সকল স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।
অনেক দিন সাগর মানুষিক ভাবে অসুস্থ ছিল। সুস্থ হয়ে সাগর তার নিজের কেরিয়ার কে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে, এখন সে একজন বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ার।

Loading
Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Flying Twitter Bird Widget By ICT Sparkle